Colosseum in bengali রোমান কলোসিয়াম – বিশ্বের সপ্তাশ্চর্য্যে

Colosseum, Built in‎: ‎70–80 AD, Built by/for‎: ‎Vespasian‎, ‎Titus

রোমান সাম্রাজ্যের সম্রাট ওইসপাসিয়া দ্বারা Colosseum 70 – 80 AD শুরুহয় এবং ওইসপাসিয়া পুত্র সম্রাট টাইটাস কোলোসিয়াম নির্মাণ শেষকরে। এটি বানাতে আনুমানিক  ৯ বছর সময় লাগে,  যা খুবই দ্রুত বলে মনে করা হয়।

রোমান কলোসিয়াম – বিশ্বের সপ্তাশ্চর্য্যে – Colosseum

আপনি জেনে অবাক হবেন কোলোসিয়াম নির্মাণকালে আনুমানিক  60,000 হাজার ইহুদি ক্রীতদাসকে কাজে লাগানো হয়। তারসাথে হাজার হাজার রোমান বাস্তুকার ও সৈনিক মোতায়েন ছিল কোলোসিয়াম নির্মাণ নকশা ও কাজের অগ্রগতি তদারকির জন্য।

কোলোসিয়াম তার সময় কালে সবথেকে বড়ো স্টেডিয়াম ছিল, যেকানে ৭০ থাকে ৮০ হাজার লোকে বসে খেলার আনন্দ নিতে পারতো ।

কোলোসিয়াম বাস্তুকাররা সে কথা মাথায়রেখে ৮০ টি ভিন্ন ভিন্ন বিশালাকার  দরজা নির্মাণকরেন, যাতে আপৎকালীন পরিস্থিতিতে ১০ মিনিট  সময়ের মধ্যে পুরো স্টেডিয়াম খালি করে বাইরে বেরেনো যায়।

Colosseum কোলোসিয়ামে কখনো একই রকম ক্রীড়া প্রদর্শন হতোনা, কখনো এখানে গ্ল্যাডিয়েটর্স এর মরণ লড়াই হতো তো পরবর্তী লড়াই আফ্রিকান জঙ্গলের কোনো প্রাণীর সাথে হতো।কখনো ঘোড়ার সওয়ারি দেড় সংঘর্ষ হতো তো সুদূর আরব থেকে ঘোড়া আনা হতো,

আবার কখনো সামুদ্রিক লড়াই হতো তো পুরা কোলোসিয়াম কে পানিতে পূর্ণ করা হতো এবং বড়ো বড়ো সামুদ্রিক জাহাজ কোলোসিয়াম এর মধ্যে প্রবেশ করানো হতো কোলোসিয়াম এর নিচে থাকা সুড়ঙ্গ দিয়ে।

রোমান জন সাধারণের জন্য কোলোসিয়াম এ প্রবেসের কোন মূল্য নির্ধারণ ছিলোনা, বরং ক্রীড়া চলাকালীন রোমান বাসিদের ফ্রিতে খাবার পরিবেশন করা হতো। কিন্তু রোমান সাম্রাজ্যের বাইরে থাকে আগতো দর্শনার্থীদের কোলোসিয়াম এ ঢোকার জন্য মূল্য ধার্য ছিলো।

মধ্যে যুগে কোলোসিয়াম এর ব্যবহার ক্রীড়া প্রতিযোগিতার জন্য বন্ধ যায়, পরবর্তীতে এটির ব্যবহার খিষ্ট্রান উদযাপন, সভা আয়োজন ও কোয়াটার হিসেবে ব্যবহার হতে থাকে।

আরো পড়ুন:
Preity Zinta Biography প্রীতি জিনতা জীবনী

ভুমিকম্পো কোলোসিয়াম এর ব্যাপক ক্ষতি হয় এবং কিছু অংশ ভেঙ্গে পরে, যার অংশ দ্বারা সেন্ট পিটার্স বেসিলিকা চার্চ বাবানোতে ব্যবহার করা হয়েছে।

রোমান সাম্রাজ্যের বিনোদন স্থল Colosseum বহু সময় কাল ও ঘটনার  চিহ্ন বহন করে, তার ভগ্নাংশ নিয়ে এখনো ইতালীয় রোম শহরের প্রাচিন ভয়ঙ্কর ইতিহাস ও শৈল্পিক নির্মাণ হয়ে পর্যটক দের বিনোদন ও আকর্ষণের কেন্দ্র বিন্দুতে প্রথম স্থান বজায় রেখেছে। কোলোসিসেম বর্তমানে ইউনেস্কো হেরিটেজ সাইট এর আওতায় বিশ্ব সেরা  বিশ্বের সপ্তাশ্চর্য্যে হিসেবে অলংকৃত হয়েছে |

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here